Search Suggest

কবিতা -৬

একবার পৃথিবীতে এসে দেখি; একমাত্র মৃত্যু ব্যতীত এখান থেকে পালানোর আর কোনো পথ নেই! একবার আপনাকে ভালোবেসে দেখি; বাকি জীবন ভালোবেসে যাওয়া ছাড়া

 ৯। 


 








তৌফিক সুলতান


মোঃ তৌফিক হোসাইন
































৮। "আমি তোমাকে ভালোবাসি "
তুমি আমাকে ভালোবাসো মানে আমিও তোমাকে ভালোবাসি।
আমি তোমাকে ভালোবাসি মানে কথা না হলেও ভালোবাসি; মুখে না বললেও আমি তোমাকে ভালোবাসি-
তুমি আমাকে অনুভব করছো মানে আমিও তোমাকে তীব্র ভাবে অনুভব করছি।
কিছু কিছু কথা মুখে প্রকাশ না করলেও এর বন্ধন শক্তি অনেক বেশি। 
তোমাকে নিয়ে আমার ভয় হয়,
জানো কিসের ভয়? এই ভয় তোমাকে হারাবার ভয়!
তুমি আমাকে ভালোবাসো এটাই আমার জীবনের সব থেকে বড় জয়।
কখনো যদি তুমি আমাকে ভুলে যাও, কিংবা অবহেলা করো! 
তাহলে আমি কষ্ট পাবো; ভিষণ রকমের কষ্ট। 
আমার প্রতি তোমার এই ভালোবাসা কখনো যদি কমে যায় কিংবা হারিয়ে যায় এর কোনো অংশ;
 বিশ্বাস করো আমি নিঃস্ব হয়ে যাবো- হয়ে যাবো ধ্বংস।
- তৌফিক সুলতান 



মানুষের রন্ধ্রে রন্ধ্রে করে বিচরণ জেগে উঠার শিহরণ 
বংশ বংশের আবরণে জেগে উঠা বারন এ তুমি কেমন কেমন তোমার আচরণ। রক্তে রঞ্জিত হয়ে তুমি মৃত্যু করো বরণ



৭। "জ্বরে পুড়ে যাওয়া গাঁ"
তিব্র জ্বরেই কেবল কেন তোমার দেখা পাই এমনিতে কেন পাই না।
জ্বর সেরে গেলেই কোথায় হারিয়ে যা-ও তুমি—
কেবল সৃতিতে গেঁথে থাকে তোমার হাত ভুলানো অনুভূতি।
এইভাবে কতকাল আমাকে এরয়ি যাবে প্রিয়।
চলেই যদি যাবে তবে অসুখে ঔষধ হয়ে কেন বারবার ফিরে আসো তুমি।
অসুখ সেরে গেলেই আবার হারিয়ে যাও তুমি কেবল একা থাকি আমি।


৬। 
না দেখা তোমার প্রতি আমার যে অনুভূতি। 
না জানি দেখা হলে কি হতো আমার অবনতি।
তুমি আমাকে খোঁজে নিবে__
ভেবেছিলাম কারোর দিকে তাকিয়েছি,
 তুমি তা দেখতে পেলে কষ্ট পাবে।
তাই ভুল করেও চোখ পড়লে সরিয়ে নিয়েছি দৃষ্টি__ তোমার অপেক্ষায় কাটিয়ে দিয়েছি!
 একটা দীর্ঘ সময়; সময়ের হিসাবে যা দুই যুগের অধিক।
এখনো তোমার দেখা মিলেনি আমার....... 



৫।
তুমি আমার শরীরে যে ছুরিকাঘাত করছো,
সেই আঘাত -এ আমার শরীর ক্ষতবিক্ষত।
চিৎকার করছি না বলে কি ভাবছো__
আমার শরীর থেকে ঝড়ে পরছে রক্ত।
একদিন এই চিৎকারের আওয়াজ তোমার কানে 
পৌঁছাবে।
 তখন এই চিৎকারের শব্দ তোমার কঠিন হৃদয়ে কম্পন সৃষ্টি করবে। 
এই কম্পনে উৎপত্তি হবে সুনামির মতো ঝড়ের সেই ঝড়ে তোমার রাগ অভিমান তুলোর মতো উড়িয়ে নিয়ে যাবে দূরে বহুদূরে।
তখন কি তুমি নিজেকে ক্ষমা করতে পারবে?
কিভাবে মুক্তি পেতে চাইবে এই অপরাধ বোধ থেকে।
  
পৃথিবীর বাতাস প্রচুর বিষাক্ত, আমি কেবল তোমাতেই আসক্ত,

৪। তোমার বিরহে আমি এ শহর থেকে ও শহরে ঘুরে বেরাি

৩। 
আমি এসেছি আজ কবি রবীন্দ্রনাথের বাড়ি,
স্ব চোখে দেখিলাম যে সকল স্থানে স্পর্শ করেছেন তিনি।
সাহিত্য জগতে উনার অবদান সম্পর্কে মোরা সবাই কম বেশি জানি।


রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাড়ি 







২। তুমি ছাড়া আমার আর যাওয়ার কোনো জায়গা নাই-



তুমি ছাড়া আমার আর যাওয়ার কোনো জায়গা নাই-


 একবার পৃথিবীতে এসে দেখি;
একমাত্র মৃত্যু ব্যতীত এখান থেকে
পালানোর আর কোনো পথ নেই!
একবার আপনাকে ভালোবেসে দেখি;
বাকি জীবন ভালোবেসে যাওয়া ছাড়া
আমার আর কোনো যোগ্যতা নেই !
                                       - সালমান হাবীব 🖤



১। 

প্রিয় তুমি কি?,কাউকে কে ভালোবাসতে!!
অতঃপর আবারও কারোর প্রেমে পড়েছো সেই মানুষ টাও কি ঠকিয়েছে তোমায়, যার ফলে বিশ্বাস হারিয়ে অনুভূতি গুলোর মৃত্যু ঘটিয়েছো তুমি;
আমি ব্যাস্ত আছি বলে মনের দড়জায় লাগিয়ে রেখেছো খিল।
আর কাউকে বিশ্বাস করতে পারছো না বলে। 
ভালোবাসার বিপরীতে ঘৃণা ফুলের পরিবর্তে কাঁটা, আপ্যায়ন এর পরিবর্তে আঘাত করে চাচ্ছো অবিরত -
অনামিকা আমি দূর করে দিতে চাই তোমার হৃদয়ের ক্ষত।
দূর করে দিতে চাই তোমার দুঃখ আছে যতো।
আমাকে ভুল বোঝ না প্লিজ!! 
তোমার সেই বিশ প্রেমিকের সাথে আমাকে গুলিয়ে ফেলো না! 





Welftion Human Welfare Association

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

বৃষ্টি হয়ে দিও ছুঁয়ে

  প্রথম অধ্যায়: হারিয়ে যাওয়া স্পর্শ এক বৃষ্টিস্নাত সন্ধ্যায়, নীহারিকা জানালার পাশে বসে, অতীতের স্মৃতিতে ডুবে আছে। পাশে পড়ে থাকা চিঠিটি তার হারিয়ে যাওয়া স্পর্শের স্মারক। নীহারিকার চোখের সামনে ঝাপসা হয়ে আসা শহরের আলো, একপাশে নরম কুয়াশা মাখা সন্ধ্যা। জানালার পাশে বসে সে একমনে বৃষ্টির দিকে তাকিয়ে থাকে। প্রতিটি বৃষ্টির ফোঁটা যেন তার ভেতরের অতীতের স্মৃতিকে ধুয়ে আনছে। আরাফ একসময় বলেছিল, "তুমি যদি কখনো হারিয়ে যাও, আমি বৃষ্টি হয়ে তোমাকে ছুঁয়ে যাব।" কথাটা তখন হাসির খোরাক ছিল, কিন্তু আজ বৃষ্টির প্রতিটি স্পর্শে যেন সেই কথা মিথ্যে প্রমাণিত হচ্ছে না। দ্বিতীয় অধ্যায়: স্মৃতির পথ ধরে নীহারিকা আর আরাফের পরিচয়টা হয়েছিল হুট করে, এক সন্ধ্যায়। কলেজের লাইব্রেরির করিডোরে আরাফ হঠাৎ করেই বলেছিল, "বৃষ্টি পছন্দ করো?" নীহারিকা অবাক হয়েছিল, কারণ তার হাতে তখনো ভিজে থাকা একটা বই ছিল, নাম—"বৃষ্টি বিলাস"। এই ছোট্ট প্রশ্নের মাধ্যমেই দু'জনের জীবনে শুরু হয়েছিল নতুন এক অধ্যায়। আরাফ ছিল একজন মুক্তচিন্তার মানুষ, যে বিশ্বাস করতো ভালোবাসা মানে মুক্তি, বন্ধন নয়। আর নীহারিকা? সে ছিল ভালোবা...

Ts

🚀 অটো ব্লগ এন্ট্রি - ক্লিক করুন 🚀 ওয়ার্ল্ড অব নলেজ - জ্ঞানের জগৎ তৌফিক সুলতান স্যারের মহতি উদ্যোগে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে পড়ুক সর্বত্র 🔍 Google Knowledge Panel গুগল নলেজ প্যানেলে তৌফিক সুলতান স্যার 🌟 Knowledge Panel 1 🔍 Knowledge Panel 2 📚 Knowledge Panel 3 🎯 Knowledge Panel 4 🔍 গুগলে খুঁজুন 🔍 লেখক তৌফিক সুলতান স্যার 🔎 Towfiq Sultan Sir ✍️ Writer Towfiq Sir 🌟 Google Share 📚 এখনই সংগ্রহ করুন 📚 বিশেষ অফার: BUY 1 GET 1 FREE + ক্যাশব্যাক এখনই কিনুন রকমারিতে বইয়ের বিবরণ 📖 বইয়ের নাম: ওয়ার্ল্ড অব নলেজ - জ্ঞানের জগৎ ✍️ লেখক: তৌফিক সুলতান স্যার ...

শিক্ষা ব্যাবস্থা কেমন হওয়া উচিৎ

শিক্ষা হল সমাজের অগ্রদূত এবং দেশের ভবিষ্যৎ নির্মাতা। আদর্শ শিক্ষা ব্যাবস্থার মূল লক্ষ্য হওয়া উচিৎ শিক্ষার্থীদের কেবলমাত্র পাঠ্যবইয়ের জ্ঞানে সমৃদ্ধ করা, বরং তাদেরকে মানবিক মূল্যবোধ, সৃজনশীলতা, সমালোচনামূলক চিন্তাভাবনা ও সমাজের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে গড়ে তোলা। তাহলে কেমন হওয়া উচিৎ আমাদের শিক্ষা ব্যাবস্থা, তার মূল দিকগুলো নিম্নরূপ: ১. সকলের জন্য সহজলভ্যতা ও সমতা: শিক্ষা সর্বজনীন অধিকার হওয়া উচিৎ। প্রত্যেকের কাছে উন্নত, মানসম্মত এবং বিনামূল্যে বা সুলভ মূল্যে শিক্ষা পৌঁছে দেওয়া দরকার, যেন অর্থনৈতিক ও সামাজিক সীমাবদ্ধতা কোনোভাবেই শিক্ষার পথে বাধা সৃষ্টি না করে। ২. শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিক শিক্ষণ পদ্ধতি: শিক্ষার প্রধান কেন্দ্রে থাকা উচিত শিক্ষার্থী। সক্রিয় অংশগ্রহণ: ক্লাসরুমে শিক্ষার্থীদেরকে প্রশ্ন করার, আলোচনা করার ও সমালোচনামূলক চিন্তাভাবনার সুযোগ দেওয়া প্রয়োজন। ব্যক্তিগত ও সৃজনশীল বিকাশ: পাঠ্যক্রমে সৃজনশীলতা, গবেষণা এবং সমস্যা সমাধানের ওপর জোর দেওয়া উচিত, যাতে শিক্ষার্থীরা শুধু তথ্য গ্রহণকারী না হয়ে, নতুন ধারণা সৃষ্টি ও প্রয়োগে সক্ষম হয়। ৩. মানসম্মত ও আধুনিক শিক্ষা উপকরণ: শিক্ষকদ...

Send Whatsapp Query