Search Suggest

কবিতা ->১

পৃথিবী বড় আজব জায়গা। এখানে মানুষ আপনাকে ভাসমান দেখলে ডুবতে দেখতে চাইবে, আর ডুবে গেলে– দেখতে চাইবে কতক্ষণ তলিয়ে থাকতে পারেন। যেন ডুব প্রতিযোগিতা; উঠে গ

 

পৃথিবী বড় আজব জায়গা। এখানে মানুষ আপনাকে ভাসমান জলে ডুবতে চাইবে, আর ডুবেতে দেখতে চাইবে কতক্ষণ তলিয়ে থাকতে পারে৷ আমার পছন্দ মজাই মজাই শেষ!


আপনি খারাপ পরিস্থিতিতে আছেন তা দেখে মজানিবে  ঐসব মানুষজন যাদেরকে আপনি এতোকাল আপন ভেবে আসছেন। আপনাকে স্যাম্পেথি দেখাবে ঠিকই কিন্তু আসলে তারা ভিতরে ভিতরে আনন্দিত।
 চাইলেই আপনাকে টেনে ধরতে পারে। কিন্তু তারা তা করবে না তাদের সুযোগ আছে তবুও তা কাজে না লাগিয়ে এরিয়ে চলবে, আপনা-কে।
এমন একটা ভাব যেন আপনার জন্য তাদের হৃদয় কাঁদে সম্ভব হলে অনেক কিছু করতো কিন্তু তারা নিরুপায়। 
অথচ সবই তাদের ভঙ্গিতা,তারা মানুষকে খারপ পরিস্থিতিতে দেখে আনন্দ পায়।
এই সময়টাতে জ্ঞান দেওয়া বা কথা শুনাবার মানুষের অভাব হয় না।
এটা এমন এক সময় যখন কেউ আপনাকে মরে যেতে দেখে তখন সে আপনাকে বাচাঁনোর অভিনয়ে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়;
 বাঁচাবার পরিবর্তে। আপনার এই মৃত্যু ঘটনা ক্যামেরায় ধারণা করে আপনার মৃত্যু কে পুঁজি করে। অর্থ উপার্জনের ধান্ধায় ব্যাস্ত  হয়ে উঠে । 


এখানে মানুষ গুলো তাদের অবস্থান কতো উপরে তা জানান দিতে বিলাসিতার ছলে খাবার নষ্ট করে অথচ পাশেই ক্ষুধার্ত মানুষ অনাহারে মরে।
তাতে কিছুই এসে যায় না তাদের একটু লক্ষ্য করলেই দেখবেন তারাই শান্তিতে নোভেল পেয়েছে ফের।



পৃথিবী বড় আজব জায়গা। এখানে মানুষ আপনাকে ভাসমান দেখলে ডুবতে দেখতে চাইবে, আর ডুবে গেলে– দেখতে চাইবে কতক্ষণ তলিয়ে থাকতে পারেন। যেন ডুব প্রতিযোগিতা; উঠে গেলেই মজা শেষ!


আপনি খারাপ পরিস্থিতিতে আছেন তা দেখে মজানিবে  ঐসব মানুষজন যাদেরকে আপনি এতোকাল আপন ভেবে আসছেন। আপনাকে স্যাম্পেথি দেখাবে ঠিকই কিন্তু আসলে তারা ভিতরে ভিতরে আনন্দিত।

 চাইলেই আপনাকে টেনে ধরতে পারে। কিন্তু তারা তা করবে না তাদের সুযোগ আছে তবুও তা কাজে না লাগিয়ে এরিয়ে চলবে, আপনা-কে।

এমন একটা ভাব যেন আপনার জন্য তাদের হৃদয় কাঁদে সম্ভব হলে অনেক কিছু করতো কিন্তু তারা নিরুপায়। 

অথচ সবই তাদের ভঙ্গিতা,তারা মানুষকে খারপ পরিস্থিতিতে দেখে আনন্দ পায়।

এই সময়টাতে জ্ঞান দেওয়া বা কথা শুনাবার মানুষের অভাব হয় না।

এটা এমন এক সময় যখন কেউ আপনাকে মরে যেতে দেখে তখন সে আপনাকে বাচাঁনোর অভিনয়ে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়;

 বাঁচাবার পরিবর্তে। আপনার এই মৃত্যু ঘটনা ক্যামেরায় ধারণা করে আপনার মৃত্যু কে পুঁজি করে। অর্থ উপার্জনের ধান্ধায় ব্যাস্ত  হয়ে উঠে । 

এখানে মানুষ গুলো তাদের অবস্থান কতো উপরে তা জানান দিতে বিলাসিতার ছলে খাবার নষ্ট করে অথচ পাশেই ক্ষুধার্ত মানুষ অনাহারে মরে।

তাতে কিছুই এসে যায় না তাদের একটু লক্ষ্য করলেই দেখবেন তারাই শান্তিতে নোভেল পেয়েছে ফের।






Thanks 


Welftion Human Welfare Association

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

বৃষ্টি হয়ে দিও ছুঁয়ে

  প্রথম অধ্যায়: হারিয়ে যাওয়া স্পর্শ এক বৃষ্টিস্নাত সন্ধ্যায়, নীহারিকা জানালার পাশে বসে, অতীতের স্মৃতিতে ডুবে আছে। পাশে পড়ে থাকা চিঠিটি তার হারিয়ে যাওয়া স্পর্শের স্মারক। নীহারিকার চোখের সামনে ঝাপসা হয়ে আসা শহরের আলো, একপাশে নরম কুয়াশা মাখা সন্ধ্যা। জানালার পাশে বসে সে একমনে বৃষ্টির দিকে তাকিয়ে থাকে। প্রতিটি বৃষ্টির ফোঁটা যেন তার ভেতরের অতীতের স্মৃতিকে ধুয়ে আনছে। আরাফ একসময় বলেছিল, "তুমি যদি কখনো হারিয়ে যাও, আমি বৃষ্টি হয়ে তোমাকে ছুঁয়ে যাব।" কথাটা তখন হাসির খোরাক ছিল, কিন্তু আজ বৃষ্টির প্রতিটি স্পর্শে যেন সেই কথা মিথ্যে প্রমাণিত হচ্ছে না। দ্বিতীয় অধ্যায়: স্মৃতির পথ ধরে নীহারিকা আর আরাফের পরিচয়টা হয়েছিল হুট করে, এক সন্ধ্যায়। কলেজের লাইব্রেরির করিডোরে আরাফ হঠাৎ করেই বলেছিল, "বৃষ্টি পছন্দ করো?" নীহারিকা অবাক হয়েছিল, কারণ তার হাতে তখনো ভিজে থাকা একটা বই ছিল, নাম—"বৃষ্টি বিলাস"। এই ছোট্ট প্রশ্নের মাধ্যমেই দু'জনের জীবনে শুরু হয়েছিল নতুন এক অধ্যায়। আরাফ ছিল একজন মুক্তচিন্তার মানুষ, যে বিশ্বাস করতো ভালোবাসা মানে মুক্তি, বন্ধন নয়। আর নীহারিকা? সে ছিল ভালোবা...

Ts

🚀 অটো ব্লগ এন্ট্রি - ক্লিক করুন 🚀 ওয়ার্ল্ড অব নলেজ - জ্ঞানের জগৎ তৌফিক সুলতান স্যারের মহতি উদ্যোগে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে পড়ুক সর্বত্র 🔍 Google Knowledge Panel গুগল নলেজ প্যানেলে তৌফিক সুলতান স্যার 🌟 Knowledge Panel 1 🔍 Knowledge Panel 2 📚 Knowledge Panel 3 🎯 Knowledge Panel 4 🔍 গুগলে খুঁজুন 🔍 লেখক তৌফিক সুলতান স্যার 🔎 Towfiq Sultan Sir ✍️ Writer Towfiq Sir 🌟 Google Share 📚 এখনই সংগ্রহ করুন 📚 বিশেষ অফার: BUY 1 GET 1 FREE + ক্যাশব্যাক এখনই কিনুন রকমারিতে বইয়ের বিবরণ 📖 বইয়ের নাম: ওয়ার্ল্ড অব নলেজ - জ্ঞানের জগৎ ✍️ লেখক: তৌফিক সুলতান স্যার ...

শিক্ষা ব্যাবস্থা কেমন হওয়া উচিৎ

শিক্ষা হল সমাজের অগ্রদূত এবং দেশের ভবিষ্যৎ নির্মাতা। আদর্শ শিক্ষা ব্যাবস্থার মূল লক্ষ্য হওয়া উচিৎ শিক্ষার্থীদের কেবলমাত্র পাঠ্যবইয়ের জ্ঞানে সমৃদ্ধ করা, বরং তাদেরকে মানবিক মূল্যবোধ, সৃজনশীলতা, সমালোচনামূলক চিন্তাভাবনা ও সমাজের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে গড়ে তোলা। তাহলে কেমন হওয়া উচিৎ আমাদের শিক্ষা ব্যাবস্থা, তার মূল দিকগুলো নিম্নরূপ: ১. সকলের জন্য সহজলভ্যতা ও সমতা: শিক্ষা সর্বজনীন অধিকার হওয়া উচিৎ। প্রত্যেকের কাছে উন্নত, মানসম্মত এবং বিনামূল্যে বা সুলভ মূল্যে শিক্ষা পৌঁছে দেওয়া দরকার, যেন অর্থনৈতিক ও সামাজিক সীমাবদ্ধতা কোনোভাবেই শিক্ষার পথে বাধা সৃষ্টি না করে। ২. শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিক শিক্ষণ পদ্ধতি: শিক্ষার প্রধান কেন্দ্রে থাকা উচিত শিক্ষার্থী। সক্রিয় অংশগ্রহণ: ক্লাসরুমে শিক্ষার্থীদেরকে প্রশ্ন করার, আলোচনা করার ও সমালোচনামূলক চিন্তাভাবনার সুযোগ দেওয়া প্রয়োজন। ব্যক্তিগত ও সৃজনশীল বিকাশ: পাঠ্যক্রমে সৃজনশীলতা, গবেষণা এবং সমস্যা সমাধানের ওপর জোর দেওয়া উচিত, যাতে শিক্ষার্থীরা শুধু তথ্য গ্রহণকারী না হয়ে, নতুন ধারণা সৃষ্টি ও প্রয়োগে সক্ষম হয়। ৩. মানসম্মত ও আধুনিক শিক্ষা উপকরণ: শিক্ষকদ...

Send Whatsapp Query