Search Suggest

মজার জোকস

 

নিচে কিছু মজার বাংলা জোকস দিলাম, পড়ে মজা নিন! 😆😂

  শিক্ষক ও ছাত্র

শিক্ষক: বল তো, পাখিরা কেন উড়ে?
ছাত্র: স্যার, তারা যদি হাঁটতো, তাহলে তো অনেক দেরি হয়ে যেত! 😆

 বুদ্ধিমান ছেলে

মা: তুই কি হোমওয়ার্ক করেছিস?
ছেলে: হ্যাঁ মা, গুগল করেছে, এখন শুধু কপি করা বাকি! 😜

  ডাক্তার ও রোগী

ডাক্তার: আপনি তো খুব রোগা! রাতে ঠিকমতো ঘুমান তো?
রোগী: জ্বি ডাক্তার সাহেব, একদম আরামের সাথে ঘুমাই! শুধু পাশের বাসার মশাগুলো একটু বিরক্ত করে! 🤣

 প্রেমের ব্যাখ্যা

Welftion News

 

ছেলে: তুমি কি জানো, প্রেম মানে কী?
মেয়ে: হ্যাঁ, মোবাইলের চার্জের মতো, যত বেশি কথা বলবে তত তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে যাবে! 😜

 বন্ধুর বুদ্ধি

বন্ধু ১: ভাই, পরীক্ষায় পাশ করার সহজ উপায় বল!
বন্ধু ২: পেছনের ছেলেটার পাশে বসো, কিন্তু সামনে থেকো না! 😂

আপনার কোনটা সবচেয়ে মজার লাগলো? 😆 

আরও জোকস চাইলে বলুন! 😃

 

 

 মজার জোকস 

 

Welftion Towfiqi2

 

৩১.
নাতি: দাদু, তুমি কত বছর ধরে বিয়ে করেছ?
দাদা: মনে নেই, কিন্তু মনে হয় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পেয়েছি! 🤣

৩২.
দাদা: তোমার নানুকে আমি চোখ বন্ধ করেই বিয়ে করেছিলাম!
নাতি: তারপর?
দাদা: এখন বুঝছি, চোখ খোলা রাখা উচিত ছিল! 😂

৩৩.
নাতি: দাদু, তুমি পত্রিকা পড়ো না কেন?
দাদা: কারণ পত্রিকার সব খবরই পুরনো হয়ে যায়! 😆

৩৪.
দাদু ফোন কিনেছেন…
দাদা: এই ফোনে টাইপ করতে পারছি না!
নাতি: দাদু, এটা তো টিভির রিমোট! 🤣

৩৫.
নাতি: দাদু, তুমি এত কিপটে কেন?
দাদা: আমি কিপটে নই! আমি শুধু আমার টাকা ব্যাংকের বাইরে দেখতে পছন্দ করি না! 😜

৩৬.
দাদু ATM থেকে টাকা তুলছেন…
মেশিন: "আপনার অ্যাকাউন্টে পর্যাপ্ত টাকা নেই!"
দাদু: "এই ATM মেশিনটা তো আমার মতোই গরিব!" 😂

৩৭.
নাতি: দাদু, তুমি বিয়ে কেন করেছিলে?
দাদা: কারণ আমি সারাজীবন শান্তিতে থাকতে চাইনি! 🤣

৩৮.
দাদু রেস্তোরাঁয় গেলেন…
ওয়েটার: দাদা, কফি নেবেন?
দাদা: কফি বানালে চিনি কম দিও, কিন্তু দাম কমিও না! 😆

৩৯.
নাতি: দাদু, তুমি রেগে গেলে কী করো?
দাদা: নানুর সামনে বসে থাকি, যাতে ভয় পায়! 😂

৪০.
দাদু হাসপাতালে গেলেন…
ডাক্তার: দাদা, কী হয়েছে?
দাদা: কিছু না, নানুর সঙ্গে ঝগড়া করেছি, তাই কিছুক্ষণ হাসপাতালে বিশ্রাম নিতে এলাম! 🤣


৫১-৭০: অফিস, স্কুল ও প্রেমের মজার জোকস 😆

মজার জোকস Welftion Towfiqi

৫১.
বস: তুমি এতদিন ধরে অফিসে আসো না কেন?
কর্মচারী: কারণ আমি স্বপ্নের অফিসে কাজ করছিলাম! 🤣

৫২.
শিক্ষক: পরীক্ষায় কী লিখেছো?
ছাত্র: স্যার, উত্তরটা এতই শক্ত যে কলমটাই ভেঙে গেল! 😂

৫৩.
গার্লফ্রেন্ড: আমাকে একটা সারপ্রাইজ দাও!
বয়ফ্রেন্ড: আমি তোমাকে ব্লক করেছি! 😆

৫৪.
বউ: তুমি আমাকে ভালোবাসো না!
স্বামী: আমি তোমার নামে ব্যাংক লোন নিয়েছি, এটা কি ভালোবাসা নয়? 🤣

৫৫.
ছাত্র: স্যার, আমি প্রস্তুত নই!
শিক্ষক: পরীক্ষায় প্রস্তুত হওনি কেন?
ছাত্র: কারণ আমি পড়া না করে মানসিকভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম! 😂

৫৬.
বন্ধু: তোর ফোন কবে কিনেছিস?
আমি: যখন কিনেছিলাম, তখন নতুন ছিল! 😆

৫৭.
মেয়ে: আমার চেহারা কেমন?
ছেলে: আমার হাত ব্যথা হয়ে গেছে!
মেয়ে: কেন?
ছেলে: কারণ আমি সত্য লুকিয়ে রাখতে পারছি না! 🤣

৫৮.
প্রেমিক: তুমি আমায় কতটা ভালোবাসো?
প্রেমিকা: যতদিন তোমার ব্যালেন্স আছে, ততদিন! 😜

৫৯.
ছেলে: তুমি কি আমার জন্য মরতে পারবে?
মেয়ে: আমি তো চাই যে তুমি বেঁচে থাকো, আর আমাকে গিফট দাও! 😂

৬০.
বস: অফিসে দেরি করলে কী হয়?
কর্মচারী: বেশি সময় বসের কথা শুনতে হয়! 🤣


৭১-১০০: সাধারণ মজার জোকস 🤣

৭১.
ছেলে: বাবা, আমি ডাক্তার হতে চাই!
বাবা: আগে তোমার হাতের লেখা ঠিক কর, তারপর রোগীর প্রেসক্রিপশন লিখতে দিও! 😂

৭২.
বউ: আমি মোটা হয়ে যাচ্ছি!
স্বামী: না না, তুমি শুধু HD ভার্সনে চলে গেছো! 😆

৭৩.
বন্ধু: তুই সবকিছু এত ধীরে করিস কেন?
আমি: কারণ আমি সময়কে ভালোভাবে অনুভব করতে চাই! 🤣

৭৪.
ডাক্তার: আপনি বেশি মোবাইল চালাবেন না!
রোগী: তাহলে কি আমি ল্যাপটপ চালাবো? 😆

৭৫.
স্বামী: আমার চায়ের কাপ কোথায়?
বউ: তুমি কি সারাদিন শুধু খাওয়ার কথাই ভাবো?
স্বামী: না, মাঝে মাঝে ভাবি, কেন বিয়ে করলাম! 🤣

৭৬.
বন্ধু: তুই এত বেশি মোবাইল কেন চালাস?
আমি: কারণ আমি ব্যাটারির উপর গবেষণা করছি! 😜

৭৭.
ছেলে: বাবা, আমি পড়াশোনা করতে চাই না!
বাবা: তাহলে কি বিয়ে করতে চাস? 😂

৭৮.
বাবা: তুমি বড় হয়ে কী হতে চাও?
ছেলে: অবসরপ্রাপ্ত! 😆

৭৯.
স্বামী: আমি অফিসে যাচ্ছি!
বউ: একটু বাজার করে আনো!
স্বামী: আমি তো অফিসে যাচ্ছি!
বউ: ঠিক আছে, তাহলে অফিস থেকে ফেরার সময় আনো! 🤣

৮০.
ডাক্তার: আপনি কি কখনো জিমে যান?
রোগী: হাঁ, আমি প্রতিদিন চিন্তা করি! 😂



Welftion Towfiqi

আপনার হাসির মুড অন হয়ে গেছে বুঝতেই পারছি! 🤣


১০১-১২০: দাদার আরও কাণ্ড 😂

১০১.
নাতি: দাদু, তুমি এত হাসো কেন?
দাদু: কারণ নানু রেগে গেলে আমাকে কথা বলতে দেয় না! 🤣

১০২.
নাতি: দাদু, তুমি এত সকালে ঘুম থেকে ওঠো কেন?
দাদু: কারণ রাতে নানু আমাকে ঘুমাতে দেয় না! 😆

১০৩.
দাদু ও দাদি ঝগড়া করছেন…
দাদি: তুমি আমাকে ভালোবাসো না!
দাদু: আরে, আমি তো তোমার সঙ্গে ৫০ বছর ধরে আছি! এটা কি কম ভালোবাসা? 😂

১০৪.
নাতি: দাদু, তুমি কীভাবে এতদিন টিকে আছো?
দাদু: কারণ নানু এখনও আমাকে ফেলে দেয়নি! 🤣

১০৫.
দাদু বাজারে গেলেন…
বিক্রেতা: দাদা, কী নেবেন?
দাদু: কিছু না, শুধু দাম দেখে যাচ্ছি, যেন হার্ট অ্যাটাক না হয়! 😆


১২১-১৪০: স্কুলের ফাটাফাটি জোকস 🎒

১২১.
শিক্ষক: পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত তো?
ছাত্র: হ্যাঁ স্যার, যদি প্রশ্ন সহজ হয়! 🤣

১২২.
শিক্ষক: তুমি কি পড়া করেছো?
ছাত্র: হ্যাঁ, কিন্তু মনে নেই! 😆

১২৩.
শিক্ষক: বলো, পৃথিবীর সবচেয়ে বুদ্ধিমান প্রাণী কে?
ছাত্র: পরীক্ষার হলে বসা ছাত্র, যে এক উত্তর দিয়ে পুরো প্রশ্নের মানে বদলে দেয়! 😂

১২৪.
শিক্ষক: তুমি এত কম নম্বর পেলে কেন?
ছাত্র: কারণ প্রশ্নপত্রও আমার সঙ্গে ধোঁকা দিয়েছে! 😜

১২৫.
শিক্ষক: ভালো করে পড়াশোনা করো!
ছাত্র: স্যার, আমার তো সবই ভালো লাগে, শুধু পড়াশোনা ছাড়া! 🤣


১৪১-১৬০: প্রেমের কাণ্ড 💕

১৪১.
প্রেমিক: তুমি রেগে গেলে কী করো?
প্রেমিকা: তোমার ব্যালেন্স শেষ করে দিই! 😂

১৪২.
ছেলে: তুমি কি আমাকে ভালোবাসো?
মেয়ে: হুম, কিন্তু এখন শপিংয়ের টাকা দাও! 😆

১৪৩.
প্রেমিক: তোমার জন্য আমি মরে যেতে পারি!
প্রেমিকা: ওরে বাবা! তাহলে আগে আমার নামে বীমা করে নাও! 🤣

১৪৪.
গার্লফ্রেন্ড: আমি তোমাকে আর বিশ্বাস করি না!
বয়ফ্রেন্ড: তাহলে একবার WiFi অফ করে দেখো! 😂

১৪৫.
ছেলে: তুমি এত সুন্দর কেন?
মেয়ে: কারণ আমি ইনস্টাগ্রামের ফিল্টার ছাড়া তোমাকে দেখিনি! 🤣


১৬১-১৮০: অফিসের মজা 🏢

১৬১.
বস: তুমি অফিসে এত দেরি করে এলে কেন?
কর্মচারী: কারণ আমি দ্রুত আসতে চাইনি! 😂

১৬২.
কর্মচারী: আমি কাজ করতে পারবো না!
বস: চিন্তা করো না, তুমি কাজ না করলেও বেতন কাটবো! 😆

১৬৩.
বস: তোমার প্রমোশন হবে না!
কর্মচারী: ঠিক আছে, তাহলে অফিসে বেশি ঘুমাবো! 🤣

১৬৪.
বস: তুমি কী কাজ করো?
কর্মচারী: শুধু বসের কথা শুনি! 😂

১৬৫.
কর্মচারী: আমার কি বেতন বাড়বে?
বস: হ্যাঁ, স্বপ্নে! 😆


১৮১-২০০: সাধারণ মজার জোকস 🤣

১৮১.
ছেলে: বাবা, মোবাইল কিনে দাও!
বাবা: আগে পরীক্ষায় ভালো কর!
ছেলে: তাহলে আমি কালকেই না হয় মোবাইল কিনে নিই! 😂

১৮২.
বন্ধু: তুই এত অলস কেন?
আমি: কারণ অলসতা আমার প্যাশন! 😆

১৮৩.
বউ: তুমি আমার কথা শুনো না!
স্বামী: কারণ আমি সাউন্ডপ্রুফ! 🤣

১৮৪.
পুলিশ: তুমি চুরি করেছো কেন?
চোর: কারণ আমি ক্রেডিট কার্ড নিতে চাইনি! 😂

১৮৫.
ডাক্তার: আপনি এত মোটা কেন?
রোগী: কারণ খাবার কমানোর চিন্তা করলেও আমি বেশি খেয়ে ফেলি! 😆

 

Welftion Towfiqi1



https://towfiqsultan-al-towfiqi.blogspot.com/2024/12/blog-post.html

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

তোমার সংসার হোক

- তোমার একটা ছোট্ট সংসার হোক,   শিউলি সুবাস, ভোরের আলোয় আঁকা,    অল্প বিস্তর ভালোবাসার নামে,   স্নিগ্ধ বাতাসে জড়িয়ে রাখা।   ঘরের কোণে রোদ্দুর হাসুক,   জানালায় ঝুলুক নীল আকাশ,   তোমার হাসিতে গলে যাক ক্লান্তি,   তোমার ছোঁয়ায় মিলুক বিশ্বাস।   আমায় তুমি খুঁজে নিও,   পরিচিত কোনো ডাকনামে,   যেখানে শব্দ ফুরিয়ে যাবে,   ভাষা হারাবে অভিমান ব্যস্ত নগরীর জ্যামে।  ভুল করে যদি কখনো ডাকো,   অতীতের কোনো ব্যথার সুরে,   আমি ফিরে তাকাবো নীরবে,   চোখের জল লুকিয়ে দূরে।   তবু একদিন সন্ধ্যা নামলে,   চাঁদের আলোয় নির্জনে,   তোমার হৃদয় খুঁজবে আমায়,   অচেনা অজানা এক স্পন্দনে…

Ts

🚀 অটো ব্লগ এন্ট্রি - ক্লিক করুন 🚀 ওয়ার্ল্ড অব নলেজ - জ্ঞানের জগৎ তৌফিক সুলতান স্যারের মহতি উদ্যোগে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে পড়ুক সর্বত্র 🔍 Google Knowledge Panel গুগল নলেজ প্যানেলে তৌফিক সুলতান স্যার 🌟 Knowledge Panel 1 🔍 Knowledge Panel 2 📚 Knowledge Panel 3 🎯 Knowledge Panel 4 🔍 গুগলে খুঁজুন 🔍 লেখক তৌফিক সুলতান স্যার 🔎 Towfiq Sultan Sir ✍️ Writer Towfiq Sir 🌟 Google Share 📚 এখনই সংগ্রহ করুন 📚 বিশেষ অফার: BUY 1 GET 1 FREE + ক্যাশব্যাক এখনই কিনুন রকমারিতে বইয়ের বিবরণ 📖 বইয়ের নাম: ওয়ার্ল্ড অব নলেজ - জ্ঞানের জগৎ ✍️ লেখক: তৌফিক সুলতান স্যার ...

বৃষ্টি হয়ে দিও ছুঁয়ে

  প্রথম অধ্যায়: হারিয়ে যাওয়া স্পর্শ এক বৃষ্টিস্নাত সন্ধ্যায়, নীহারিকা জানালার পাশে বসে, অতীতের স্মৃতিতে ডুবে আছে। পাশে পড়ে থাকা চিঠিটি তার হারিয়ে যাওয়া স্পর্শের স্মারক। নীহারিকার চোখের সামনে ঝাপসা হয়ে আসা শহরের আলো, একপাশে নরম কুয়াশা মাখা সন্ধ্যা। জানালার পাশে বসে সে একমনে বৃষ্টির দিকে তাকিয়ে থাকে। প্রতিটি বৃষ্টির ফোঁটা যেন তার ভেতরের অতীতের স্মৃতিকে ধুয়ে আনছে। আরাফ একসময় বলেছিল, "তুমি যদি কখনো হারিয়ে যাও, আমি বৃষ্টি হয়ে তোমাকে ছুঁয়ে যাব।" কথাটা তখন হাসির খোরাক ছিল, কিন্তু আজ বৃষ্টির প্রতিটি স্পর্শে যেন সেই কথা মিথ্যে প্রমাণিত হচ্ছে না। দ্বিতীয় অধ্যায়: স্মৃতির পথ ধরে নীহারিকা আর আরাফের পরিচয়টা হয়েছিল হুট করে, এক সন্ধ্যায়। কলেজের লাইব্রেরির করিডোরে আরাফ হঠাৎ করেই বলেছিল, "বৃষ্টি পছন্দ করো?" নীহারিকা অবাক হয়েছিল, কারণ তার হাতে তখনো ভিজে থাকা একটা বই ছিল, নাম—"বৃষ্টি বিলাস"। এই ছোট্ট প্রশ্নের মাধ্যমেই দু'জনের জীবনে শুরু হয়েছিল নতুন এক অধ্যায়। আরাফ ছিল একজন মুক্তচিন্তার মানুষ, যে বিশ্বাস করতো ভালোবাসা মানে মুক্তি, বন্ধন নয়। আর নীহারিকা? সে ছিল ভালোবা...

Send Whatsapp Query