Search Suggest

সড়ক যোগাযোগে বিপর্যয়

দ্বীপর অঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে ব্রিজ জরুরি: 

পত্রিকায় প্রকাশিত লেখক তৌফিক সুলতান স্যার এর লেখা,Towfiq Sultan Sir,المؤلف توفيق سلطان السير نشر في جريدة توفيق سلطان السير,Author Towfiq Sultan Sir published in the newspaper, Towfiq Sultan Sir, 


 বাংলাদেশের দ্বীপাঞ্চলগুলোর সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয়, বিশেষ করে বন্যা, নদী ভাঙন এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে অনেক গুরুত্বপূর্ণ সড়ক বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। দ্বীপর অঞ্চলের বসবাসরত লাখ লাখ মানুষ বর্তমানে সমস্যায় পড়েছে, কারণ যাতায়াতের জন্য প্রয়োজনীয় ব্রিজগুলো নেই অথবা পুরনো ব্রিজগুলো ভেঙে পড়েছে।

এছাড়া, দ্বীপে বসবাসকারী কৃষক ও ব্যবসায়ীরা তাঁদের উৎপাদিত পণ্য বাজারে নিয়ে যেতে কিংবা প্রয়োজনীয় সেবা পেতে একেবারে নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন সড়ক যোগাযোগের উপর। কিন্তু, অধিকাংশ দ্বীপে ব্রিজের অভাবের কারণে তারা দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে কিংবা নৌকা ব্যবহার করে পণ্য পরিবহন করতে বাধ্য হচ্ছেন, যা সময়সাপেক্ষ এবং বিপজ্জনক।

ব্রিজের অভাবে দ্বীপর এলাকার শিশুদের স্কুলে যাওয়া, রোগীদের হাসপাতালে যাওয়া এবং সবার জন্য জরুরি জীবনযাত্রা পরিচালনা করা হয়ে পড়েছে দুরূহ।

স্থানীয় বাসিন্দারা দাবি করছেন যে, যদি দ্রুত একটি স্থায়ী ব্রিজ নির্মাণ না করা হয়, তাহলে এসব অঞ্চলের মানুষের জীবনে আরো বড় সংকট সৃষ্টি হতে পারে। তাদের মতে, ব্রিজ নির্মাণের মাধ্যমে, একদিকে যেমন যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক হবে, অন্যদিকে দ্বীপ অঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়নও ত্বরান্বিত হবে।

বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এসব এলাকায় ব্রিজ নির্মাণে প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা গ্রহণ করা গেলে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থায়ীভাবে উন্নত হবে। তারা উল্লেখ করেন, আন্তর্জাতিক সংস্থা ও স্থানীয় সরকারের সমন্বয়ে দ্রুত প্রকল্প শুরু করা জরুরি।

এছাড়া, ব্রিজের অভাব পূরণ করতে নৌকা ও অন্য বিকল্প পদ্ধতির মাধ্যমে সাময়িক ব্যবস্থা নেওয়া হলেও তা স্থায়ী সমাধান নয়। এতে স্থানীয় জনগণ আশাবাদী যে, তাদের আবেদন শীঘ্রই পূরণ হবে এবং তারা উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার সুবিধা পাবেন।

https://towfiqsultan-al-towfiqi.blogspot.com/2024/12/blog-post.html

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

তোমার সংসার হোক

- তোমার একটা ছোট্ট সংসার হোক,   শিউলি সুবাস, ভোরের আলোয় আঁকা,    অল্প বিস্তর ভালোবাসার নামে,   স্নিগ্ধ বাতাসে জড়িয়ে রাখা।   ঘরের কোণে রোদ্দুর হাসুক,   জানালায় ঝুলুক নীল আকাশ,   তোমার হাসিতে গলে যাক ক্লান্তি,   তোমার ছোঁয়ায় মিলুক বিশ্বাস।   আমায় তুমি খুঁজে নিও,   পরিচিত কোনো ডাকনামে,   যেখানে শব্দ ফুরিয়ে যাবে,   ভাষা হারাবে অভিমান ব্যস্ত নগরীর জ্যামে।  ভুল করে যদি কখনো ডাকো,   অতীতের কোনো ব্যথার সুরে,   আমি ফিরে তাকাবো নীরবে,   চোখের জল লুকিয়ে দূরে।   তবু একদিন সন্ধ্যা নামলে,   চাঁদের আলোয় নির্জনে,   তোমার হৃদয় খুঁজবে আমায়,   অচেনা অজানা এক স্পন্দনে…

আজকের আন্তর্জাতিক বিশেষ সংবাদসমূহ:

  মার্কিন-রাশিয়া সম্পর্ক: সৌদি আরবে রাশিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলের মধ্যে ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের উপায় নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা শুরু হয়েছে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, ইউক্রেন-রাশিয়া উভয়কেই কিছু ছাড় দিতে হবে। এদিকে, রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ এবং মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও রিয়াদে বৈঠকে বসেছেন।  ইরানে মৃত্যুদণ্ড: মানবাধিকার সংগঠনগুলোর প্রতিবেদনে জানা গেছে, ইরানে ২০২৪ সালে অন্তত ৯৭৫ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে, যা সাম্প্রতিককালে দেশটিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সংখ্যা বৃদ্ধি নির্দেশ করে।  শ্রীলঙ্কায় হাতির মৃত্যু: শ্রীলঙ্কায় ট্রেনের সঙ্গে ধাক্কায় অন্তত ৬টি হাতির মৃত্যু হয়েছে। এ সময় ট্রেনটিও লাইনচ্যুত হয়, তবে ট্রেনে থাকা কোনো যাত্রী হতাহত হয়নি।  ইসরায়েল-হামাস সংঘাত: গাজা সংকটের এই পর্যায়ে এসে হামাস একটি নতুন প্রস্তাব নিয়ে এসেছে। তারা জানিয়েছে, ইসরায়েল যদি স্থায়ী যুদ্ধবিরতি মেনে নেয় এবং বন্দিদের মুক্তি দেয়, তবে তারা সব বন্দিকে মুক্তি দিতে প্রস্তুত।  যুক্তরাজ্যে মুসলিমবিদ্বেষ: যুক্তরাজ্যে মুসলিমবিদ্বেষ রেকর্ড পরি...

শিক্ষা ব্যাবস্থা কেমন হওয়া উচিৎ

শিক্ষা হল সমাজের অগ্রদূত এবং দেশের ভবিষ্যৎ নির্মাতা। আদর্শ শিক্ষা ব্যাবস্থার মূল লক্ষ্য হওয়া উচিৎ শিক্ষার্থীদের কেবলমাত্র পাঠ্যবইয়ের জ্ঞানে সমৃদ্ধ করা, বরং তাদেরকে মানবিক মূল্যবোধ, সৃজনশীলতা, সমালোচনামূলক চিন্তাভাবনা ও সমাজের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে গড়ে তোলা। তাহলে কেমন হওয়া উচিৎ আমাদের শিক্ষা ব্যাবস্থা, তার মূল দিকগুলো নিম্নরূপ: ১. সকলের জন্য সহজলভ্যতা ও সমতা: শিক্ষা সর্বজনীন অধিকার হওয়া উচিৎ। প্রত্যেকের কাছে উন্নত, মানসম্মত এবং বিনামূল্যে বা সুলভ মূল্যে শিক্ষা পৌঁছে দেওয়া দরকার, যেন অর্থনৈতিক ও সামাজিক সীমাবদ্ধতা কোনোভাবেই শিক্ষার পথে বাধা সৃষ্টি না করে। ২. শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিক শিক্ষণ পদ্ধতি: শিক্ষার প্রধান কেন্দ্রে থাকা উচিত শিক্ষার্থী। সক্রিয় অংশগ্রহণ: ক্লাসরুমে শিক্ষার্থীদেরকে প্রশ্ন করার, আলোচনা করার ও সমালোচনামূলক চিন্তাভাবনার সুযোগ দেওয়া প্রয়োজন। ব্যক্তিগত ও সৃজনশীল বিকাশ: পাঠ্যক্রমে সৃজনশীলতা, গবেষণা এবং সমস্যা সমাধানের ওপর জোর দেওয়া উচিত, যাতে শিক্ষার্থীরা শুধু তথ্য গ্রহণকারী না হয়ে, নতুন ধারণা সৃষ্টি ও প্রয়োগে সক্ষম হয়। ৩. মানসম্মত ও আধুনিক শিক্ষা উপকরণ: শিক্ষকদ...

Send Whatsapp Query