Search Suggest

অমর একুশে বইমেলা ২০২৫ নতুন দিগন্তের অভিমুখে

প্রচ্ছদ প্রতিবেদন

📌 অনলাইন ডেস্ক | ওয়েল্ফশন নিউজ আপডেট

প্রধান নির্বাহী সম্পাদক

ফাল্গুনের হিমেল বাতাস, বইয়ের গন্ধ, আর মানুষের ঢল—এ যেন ভাষা ও সাহিত্যের মিলনমেলা! ঐতিহ্যবাহী অমর একুশে বইমেলা ২০২৫ আবারও পাঠকদের উন্মাদনায় মাতিয়ে তুলেছে। বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ছড়িয়ে পড়া এ মেলা শুধু বই বিক্রির হাট নয়, বরং এটি বাঙালির সাহিত্য, সংস্কৃতি ও সৃজনশীলতার প্রাণকেন্দ্র হয়ে উঠেছে।

নতুন আঙ্গিকে বইমেলা ২০২৫

এবারের বইমেলা এসেছে নতুন চমক ও প্রযুক্তিগত সংযোজন নিয়ে। ডিজিটাল বুক কর্নার, ই-লাইব্রেরি, অডিওবুক স্টল—সব মিলিয়ে পাঠকের কাছে মেলাটি এক নতুন অভিজ্ঞতা নিয়ে হাজির হয়েছে। দেশের শীর্ষস্থানীয় প্রকাশনী সংস্থাগুলো তাদের সেরা বইগুলো নিয়ে এসেছে, যেখানে বাংলা সাহিত্যের কালজয়ী লেখকদের পাশাপাশি তরুণ লেখকদের সৃষ্টিশীল বইও রয়েছে।


এখানে অমর একুশে বইমেলা ২০২৫-এর একটি চিত্রাঙ্কন রয়েছে, যেখানে বইপ্রেমী মানুষের ভিড়, রঙিন বইয়ের স্টল এবং সাংস্কৃতিক পরিবেশ ফুটে উঠেছে।


প্রকাশকদের প্রত্যাশা ও পাঠকের উচ্ছ্বাস

প্রকাশকরা আশা করছেন, এবারের মেলা বইপ্রেমীদের জন্য এক অনন্য অভিজ্ঞতা হবে। ইতোমধ্যেই পাঠকদের আগ্রহ দেখা গেছে ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধ, সমসাময়িক রাজনীতি, বিজ্ঞান কল্পকাহিনি ও আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থের প্রতি। অন্যদিকে, কবিতার বই ও উপন্যাসের স্টলেও উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

লেখক-পাঠকের সরাসরি সংযোগ

বইমেলার সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো লেখক-পাঠক সরাসরি মতবিনিময়ের সুযোগ। প্রতিদিন মেলা চত্বরে নতুন বইয়ের মোড়ক উন্মোচন ও স্বাক্ষর পর্বের আয়োজন চলছে। লেখকদের সঙ্গে পাঠকদের প্রাণবন্ত আলাপচারিতা বইমেলাকে আরও জমিয়ে তুলেছে।

বিশ্ব সাহিত্যের সংযোগ ও বিশেষ আয়োজন

এবারের মেলায় আন্তর্জাতিক সাহিত্য মঞ্চ যুক্ত হয়েছে, যেখানে বিদেশি লেখকরাও অংশ নিচ্ছেন। এ ছাড়াও থাকছে কথাসাহিত্য, নাটক, কবিতা আবৃত্তি ও সাহিত্য আলোচনা সভা। শিশুদের জন্য থাকছে বিশেষ 'শিশু প্রহর', যেখানে তারা গল্প ও বই পড়ার আনন্দ উপভোগ করতে পারবে।

সন্ধ্যার আলোয় একুশের গান ও সাংস্কৃতিক আয়োজন

প্রতিদিন সন্ধ্যায় মেলা প্রাঙ্গণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, একুশের গান, নাটক ও আবৃত্তির আয়োজন থাকছে, যা মেলার আবহকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলেছে।

বইমেলা মানেই কেবল বই কেনা নয়, বরং এটি একটি আবেগ, এক অনুভূতির নাম। এটি বাঙালির আত্মপরিচয়ের প্রতিচ্ছবি। একুশের চেতনা ধারণ করে এই বইমেলা আমাদের নতুন স্বপ্ন দেখায়, নতুন দিগন্তের সন্ধান দেয়। ভাষা ও সাহিত্যের এই মহোৎসব আগামীতেও বাঙালির মনন ও সংস্কৃতির প্রতিচ্ছবি হয়ে উঠুক—এটাই প্রত্যাশা।

📚 বই পড়ুন, মনের জানালা খুলুন!

https://towfiqsultan-al-towfiqi.blogspot.com/2024/12/blog-post.html

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

তোমার সংসার হোক

- তোমার একটা ছোট্ট সংসার হোক,   শিউলি সুবাস, ভোরের আলোয় আঁকা,    অল্প বিস্তর ভালোবাসার নামে,   স্নিগ্ধ বাতাসে জড়িয়ে রাখা।   ঘরের কোণে রোদ্দুর হাসুক,   জানালায় ঝুলুক নীল আকাশ,   তোমার হাসিতে গলে যাক ক্লান্তি,   তোমার ছোঁয়ায় মিলুক বিশ্বাস।   আমায় তুমি খুঁজে নিও,   পরিচিত কোনো ডাকনামে,   যেখানে শব্দ ফুরিয়ে যাবে,   ভাষা হারাবে অভিমান ব্যস্ত নগরীর জ্যামে।  ভুল করে যদি কখনো ডাকো,   অতীতের কোনো ব্যথার সুরে,   আমি ফিরে তাকাবো নীরবে,   চোখের জল লুকিয়ে দূরে।   তবু একদিন সন্ধ্যা নামলে,   চাঁদের আলোয় নির্জনে,   তোমার হৃদয় খুঁজবে আমায়,   অচেনা অজানা এক স্পন্দনে…

Ts

🚀 অটো ব্লগ এন্ট্রি - ক্লিক করুন 🚀 ওয়ার্ল্ড অব নলেজ - জ্ঞানের জগৎ তৌফিক সুলতান স্যারের মহতি উদ্যোগে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে পড়ুক সর্বত্র 🔍 Google Knowledge Panel গুগল নলেজ প্যানেলে তৌফিক সুলতান স্যার 🌟 Knowledge Panel 1 🔍 Knowledge Panel 2 📚 Knowledge Panel 3 🎯 Knowledge Panel 4 🔍 গুগলে খুঁজুন 🔍 লেখক তৌফিক সুলতান স্যার 🔎 Towfiq Sultan Sir ✍️ Writer Towfiq Sir 🌟 Google Share 📚 এখনই সংগ্রহ করুন 📚 বিশেষ অফার: BUY 1 GET 1 FREE + ক্যাশব্যাক এখনই কিনুন রকমারিতে বইয়ের বিবরণ 📖 বইয়ের নাম: ওয়ার্ল্ড অব নলেজ - জ্ঞানের জগৎ ✍️ লেখক: তৌফিক সুলতান স্যার ...

বৃষ্টি হয়ে দিও ছুঁয়ে

  প্রথম অধ্যায়: হারিয়ে যাওয়া স্পর্শ এক বৃষ্টিস্নাত সন্ধ্যায়, নীহারিকা জানালার পাশে বসে, অতীতের স্মৃতিতে ডুবে আছে। পাশে পড়ে থাকা চিঠিটি তার হারিয়ে যাওয়া স্পর্শের স্মারক। নীহারিকার চোখের সামনে ঝাপসা হয়ে আসা শহরের আলো, একপাশে নরম কুয়াশা মাখা সন্ধ্যা। জানালার পাশে বসে সে একমনে বৃষ্টির দিকে তাকিয়ে থাকে। প্রতিটি বৃষ্টির ফোঁটা যেন তার ভেতরের অতীতের স্মৃতিকে ধুয়ে আনছে। আরাফ একসময় বলেছিল, "তুমি যদি কখনো হারিয়ে যাও, আমি বৃষ্টি হয়ে তোমাকে ছুঁয়ে যাব।" কথাটা তখন হাসির খোরাক ছিল, কিন্তু আজ বৃষ্টির প্রতিটি স্পর্শে যেন সেই কথা মিথ্যে প্রমাণিত হচ্ছে না। দ্বিতীয় অধ্যায়: স্মৃতির পথ ধরে নীহারিকা আর আরাফের পরিচয়টা হয়েছিল হুট করে, এক সন্ধ্যায়। কলেজের লাইব্রেরির করিডোরে আরাফ হঠাৎ করেই বলেছিল, "বৃষ্টি পছন্দ করো?" নীহারিকা অবাক হয়েছিল, কারণ তার হাতে তখনো ভিজে থাকা একটা বই ছিল, নাম—"বৃষ্টি বিলাস"। এই ছোট্ট প্রশ্নের মাধ্যমেই দু'জনের জীবনে শুরু হয়েছিল নতুন এক অধ্যায়। আরাফ ছিল একজন মুক্তচিন্তার মানুষ, যে বিশ্বাস করতো ভালোবাসা মানে মুক্তি, বন্ধন নয়। আর নীহারিকা? সে ছিল ভালোবা...

Send Whatsapp Query