Search Suggest

কালের কণ্ঠ একটি নির্ভরযোগ্য সংবাদ মাধ্যম

কালের কণ্ঠ: একটি নির্ভরযোগ্য সংবাদ মাধ্যম

বাংলাদেশের জনপ্রিয় ও বহুল প্রচারিত দৈনিক পত্রিকাগুলোর মধ্যে "কালের কণ্ঠ" অন্যতম। ২০১০ সালের ১০ জানুয়ারি যাত্রা শুরু করা এই পত্রিকাটি অল্প সময়ের মধ্যেই পাঠকদের মাঝে আস্থা অর্জন করেছে।

পত্রিকায় প্রকাশিত লেখক তৌফিক সুলতান স্যার এর লেখা,Towfiq Sultan Sir,المؤلف توفيق سلطان السير نشر في جريدة توفيق سلطان السير,Author Towfiq Sultan Sir published in the newspaper, Towfiq Sultan Sir, 


প্রতিষ্ঠা ও লক্ষ্য

"কালের কণ্ঠ" পত্রিকাটি বসুন্ধরা গ্রুপের মালিকানাধীন ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপ এর অধীনে প্রকাশিত হয়। এটি সাংবাদিকতায় বস্তুনিষ্ঠতা ও গুণগত মান বজায় রেখে প্রতিদিন দেশ ও বিদেশের সংবাদ তুলে ধরে। পত্রিকাটির মূল উদ্দেশ্য হলো সত্য ও নিরপেক্ষ সাংবাদিকতা নিশ্চিত করা এবং জনগণের কথা বলার একটি শক্তিশালী মাধ্যম তৈরি করা।

বৈশিষ্ট্য ও জনপ্রিয়তা

🔹 বস্তুনিষ্ঠ ও নিরপেক্ষ সংবাদ – "কালের কণ্ঠ" রাজনৈতিক পক্ষপাত এড়িয়ে বাস্তব তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ প্রকাশ করে।
🔹 নানা বিষয়ে বিশেষায়িত পাতা – যেমন, রাজনীতি, অর্থনীতি, বিনোদন, খেলাধুলা, স্বাস্থ্য, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, সাহিত্য এবং আন্তর্জাতিক সংবাদ।
🔹 অনলাইন সংস্করণ – পত্রিকাটির একটি শক্তিশালী অনলাইন সংস্করণ (www.kalerkantho.com) রয়েছে, যেখানে প্রতিনিয়ত আপডেটেড সংবাদ পাওয়া যায়।
🔹 সাহিত্য ও বিশেষ আয়োজন – "শুভসংঘ" ও বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রমের মাধ্যমে তরুণ সমাজের উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে।
🔹 বিভিন্ন আয়োজন ও মতামত বিভাগ – পাঠকদের মতামত প্রকাশের জন্য "বক্তব্য", "সম্পাদকীয়", "দৃষ্টিকোণ" নামের বিভাগ চালু রয়েছে।

"কালের কণ্ঠ" এর গুরুত্ব

বাংলাদেশের সংবাদ জগতে "কালের কণ্ঠ" একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে। এটি শুধু সংবাদ প্রকাশ করাই নয়, সমাজের বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে বিশদ বিশ্লেষণ করে, যা নীতি নির্ধারকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসূত্র হিসেবে কাজ করে।

 

সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে সাংবাদিকতা করার অঙ্গীকার নিয়ে "কালের কণ্ঠ" এগিয়ে চলেছে। এটি বাংলাদেশে গণমাধ্যমের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে এবং ভবিষ্যতেও রাখবে বলে আশা করা যায়।

https://towfiqsultan-al-towfiqi.blogspot.com/2024/12/blog-post.html

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

তোমার সংসার হোক

- তোমার একটা ছোট্ট সংসার হোক,   শিউলি সুবাস, ভোরের আলোয় আঁকা,    অল্প বিস্তর ভালোবাসার নামে,   স্নিগ্ধ বাতাসে জড়িয়ে রাখা।   ঘরের কোণে রোদ্দুর হাসুক,   জানালায় ঝুলুক নীল আকাশ,   তোমার হাসিতে গলে যাক ক্লান্তি,   তোমার ছোঁয়ায় মিলুক বিশ্বাস।   আমায় তুমি খুঁজে নিও,   পরিচিত কোনো ডাকনামে,   যেখানে শব্দ ফুরিয়ে যাবে,   ভাষা হারাবে অভিমান ব্যস্ত নগরীর জ্যামে।  ভুল করে যদি কখনো ডাকো,   অতীতের কোনো ব্যথার সুরে,   আমি ফিরে তাকাবো নীরবে,   চোখের জল লুকিয়ে দূরে।   তবু একদিন সন্ধ্যা নামলে,   চাঁদের আলোয় নির্জনে,   তোমার হৃদয় খুঁজবে আমায়,   অচেনা অজানা এক স্পন্দনে…

আজকের আন্তর্জাতিক বিশেষ সংবাদসমূহ:

  মার্কিন-রাশিয়া সম্পর্ক: সৌদি আরবে রাশিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলের মধ্যে ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের উপায় নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা শুরু হয়েছে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, ইউক্রেন-রাশিয়া উভয়কেই কিছু ছাড় দিতে হবে। এদিকে, রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ এবং মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও রিয়াদে বৈঠকে বসেছেন।  ইরানে মৃত্যুদণ্ড: মানবাধিকার সংগঠনগুলোর প্রতিবেদনে জানা গেছে, ইরানে ২০২৪ সালে অন্তত ৯৭৫ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে, যা সাম্প্রতিককালে দেশটিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সংখ্যা বৃদ্ধি নির্দেশ করে।  শ্রীলঙ্কায় হাতির মৃত্যু: শ্রীলঙ্কায় ট্রেনের সঙ্গে ধাক্কায় অন্তত ৬টি হাতির মৃত্যু হয়েছে। এ সময় ট্রেনটিও লাইনচ্যুত হয়, তবে ট্রেনে থাকা কোনো যাত্রী হতাহত হয়নি।  ইসরায়েল-হামাস সংঘাত: গাজা সংকটের এই পর্যায়ে এসে হামাস একটি নতুন প্রস্তাব নিয়ে এসেছে। তারা জানিয়েছে, ইসরায়েল যদি স্থায়ী যুদ্ধবিরতি মেনে নেয় এবং বন্দিদের মুক্তি দেয়, তবে তারা সব বন্দিকে মুক্তি দিতে প্রস্তুত।  যুক্তরাজ্যে মুসলিমবিদ্বেষ: যুক্তরাজ্যে মুসলিমবিদ্বেষ রেকর্ড পরি...

শিক্ষা ব্যাবস্থা কেমন হওয়া উচিৎ

শিক্ষা হল সমাজের অগ্রদূত এবং দেশের ভবিষ্যৎ নির্মাতা। আদর্শ শিক্ষা ব্যাবস্থার মূল লক্ষ্য হওয়া উচিৎ শিক্ষার্থীদের কেবলমাত্র পাঠ্যবইয়ের জ্ঞানে সমৃদ্ধ করা, বরং তাদেরকে মানবিক মূল্যবোধ, সৃজনশীলতা, সমালোচনামূলক চিন্তাভাবনা ও সমাজের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে গড়ে তোলা। তাহলে কেমন হওয়া উচিৎ আমাদের শিক্ষা ব্যাবস্থা, তার মূল দিকগুলো নিম্নরূপ: ১. সকলের জন্য সহজলভ্যতা ও সমতা: শিক্ষা সর্বজনীন অধিকার হওয়া উচিৎ। প্রত্যেকের কাছে উন্নত, মানসম্মত এবং বিনামূল্যে বা সুলভ মূল্যে শিক্ষা পৌঁছে দেওয়া দরকার, যেন অর্থনৈতিক ও সামাজিক সীমাবদ্ধতা কোনোভাবেই শিক্ষার পথে বাধা সৃষ্টি না করে। ২. শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিক শিক্ষণ পদ্ধতি: শিক্ষার প্রধান কেন্দ্রে থাকা উচিত শিক্ষার্থী। সক্রিয় অংশগ্রহণ: ক্লাসরুমে শিক্ষার্থীদেরকে প্রশ্ন করার, আলোচনা করার ও সমালোচনামূলক চিন্তাভাবনার সুযোগ দেওয়া প্রয়োজন। ব্যক্তিগত ও সৃজনশীল বিকাশ: পাঠ্যক্রমে সৃজনশীলতা, গবেষণা এবং সমস্যা সমাধানের ওপর জোর দেওয়া উচিত, যাতে শিক্ষার্থীরা শুধু তথ্য গ্রহণকারী না হয়ে, নতুন ধারণা সৃষ্টি ও প্রয়োগে সক্ষম হয়। ৩. মানসম্মত ও আধুনিক শিক্ষা উপকরণ: শিক্ষকদ...

Send Whatsapp Query