Search Suggest

পথচারীদের দুর্ভোগ চরমে

টঙ্গীতে ফুটওভার ব্রিজ জরুরি: 

পত্রিকায় প্রকাশিত লেখক তৌফিক সুলতান স্যার এর লেখা,Towfiq Sultan Sir,المؤلف توفيق سلطان السير نشر في جريدة توفيق سلطان السير,Author Towfiq Sultan Sir published in the newspaper, Towfiq Sultan Sir,টঙ্গীতে ফুটওভার ব্রিজ জরুরি 

টঙ্গী,  – গাজীপুরের টঙ্গীতে প্রধান সড়কগুলো দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার পথচারী চলাচল করে। তবে, নিরাপদ পারাপারের জন্য প্রয়োজনীয় ফুটওভার ব্রিজের অভাব মানুষের জন্য বড় সমস্যায় পরিণত হয়েছে। ব্যস্ত সড়ক পেরোতে গিয়ে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা, বিশেষ করে বৃদ্ধ, শিশু এবং নারী পথচারীদের জন্য এটি ভয়াবহ ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বিপজ্জনক সড়ক ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি

টঙ্গীর স্টেশন রোড, মিলগেট, কলেজ গেট, চান্দনা চৌরাস্তা, আজমপুর ও মনোহারি এলাকায় প্রতিদিনই যানজট লেগে থাকে। কোনো ফুটওভার ব্রিজ না থাকায় পথচারীদের সরাসরি রাস্তায় নেমে গাড়ির গতির সঙ্গে লড়াই করে রাস্তা পার হতে হয়। বিশেষত, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, কারখানার শ্রমিক ও সাধারণ মানুষকে প্রতিদিন চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

স্থানীয় বাসিন্দা রহিম উদ্দিন জানান,
"প্রতিদিন আমরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রাস্তা পার হই। একদিকে দ্রুতগতির গাড়ি, অন্যদিকে বিশৃঙ্খল পারাপার—এতে দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছি আমরা নিজেরাই। ফুটওভার ব্রিজ থাকলে এমনটা হতো না।"

প্রশাসনের উদ্যোগ ও দাবিসমূহ

টঙ্গীর স্থানীয় জনগণ দীর্ঘদিন ধরেই একটি ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণের দাবি জানিয়ে আসছে। তবে এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ট্রাফিক পুলিশের একজন কর্মকর্তা জানান,
"টঙ্গীতে যানজট কমাতে ফুটওভার ব্রিজ খুবই জরুরি। এটি থাকলে পথচারীদের নিরাপদ পারাপার নিশ্চিত হবে এবং যানজটও কমবে। বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে আনা হয়েছে।"

সম্ভাব্য সমাধান

জরুরি ভিত্তিতে ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণ: ব্যস্ত এলাকা ও দুর্ঘটনাপ্রবণ স্থানগুলো চিহ্নিত করে দ্রুত ফুটওভার ব্রিজ স্থাপন করা প্রয়োজন।
সচেতনতামূলক প্রচার চালানো: সাধারণ মানুষকে ফুটওভার ব্রিজ ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করতে প্রচারণা চালাতে হবে।
ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা উন্নত করা: রাস্তায় সঠিক ট্রাফিক ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে, যাতে পথচারীরা নিরাপদে চলাচল করতে পারে।

 

টঙ্গীর মতো ব্যস্ত এলাকায় ফুটওভার ব্রিজ না থাকা এক মারাত্মক অব্যবস্থাপনা। প্রশাসনের উচিত দ্রুত এই সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া, যাতে মানুষ নিরাপদে রাস্তা পার হতে পারে এবং দুর্ঘটনা কমে আসে। জনগণের জীবন রক্ষায় এটি একটি অপরিহার্য পদক্ষেপ।

https://towfiqsultan-al-towfiqi.blogspot.com/2024/12/blog-post.html

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

তোমার সংসার হোক

- তোমার একটা ছোট্ট সংসার হোক,   শিউলি সুবাস, ভোরের আলোয় আঁকা,    অল্প বিস্তর ভালোবাসার নামে,   স্নিগ্ধ বাতাসে জড়িয়ে রাখা।   ঘরের কোণে রোদ্দুর হাসুক,   জানালায় ঝুলুক নীল আকাশ,   তোমার হাসিতে গলে যাক ক্লান্তি,   তোমার ছোঁয়ায় মিলুক বিশ্বাস।   আমায় তুমি খুঁজে নিও,   পরিচিত কোনো ডাকনামে,   যেখানে শব্দ ফুরিয়ে যাবে,   ভাষা হারাবে অভিমান ব্যস্ত নগরীর জ্যামে।  ভুল করে যদি কখনো ডাকো,   অতীতের কোনো ব্যথার সুরে,   আমি ফিরে তাকাবো নীরবে,   চোখের জল লুকিয়ে দূরে।   তবু একদিন সন্ধ্যা নামলে,   চাঁদের আলোয় নির্জনে,   তোমার হৃদয় খুঁজবে আমায়,   অচেনা অজানা এক স্পন্দনে…

Ts

🚀 অটো ব্লগ এন্ট্রি - ক্লিক করুন 🚀 ওয়ার্ল্ড অব নলেজ - জ্ঞানের জগৎ তৌফিক সুলতান স্যারের মহতি উদ্যোগে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে পড়ুক সর্বত্র 🔍 Google Knowledge Panel গুগল নলেজ প্যানেলে তৌফিক সুলতান স্যার 🌟 Knowledge Panel 1 🔍 Knowledge Panel 2 📚 Knowledge Panel 3 🎯 Knowledge Panel 4 🔍 গুগলে খুঁজুন 🔍 লেখক তৌফিক সুলতান স্যার 🔎 Towfiq Sultan Sir ✍️ Writer Towfiq Sir 🌟 Google Share 📚 এখনই সংগ্রহ করুন 📚 বিশেষ অফার: BUY 1 GET 1 FREE + ক্যাশব্যাক এখনই কিনুন রকমারিতে বইয়ের বিবরণ 📖 বইয়ের নাম: ওয়ার্ল্ড অব নলেজ - জ্ঞানের জগৎ ✍️ লেখক: তৌফিক সুলতান স্যার ...

বৃষ্টি হয়ে দিও ছুঁয়ে

  প্রথম অধ্যায়: হারিয়ে যাওয়া স্পর্শ এক বৃষ্টিস্নাত সন্ধ্যায়, নীহারিকা জানালার পাশে বসে, অতীতের স্মৃতিতে ডুবে আছে। পাশে পড়ে থাকা চিঠিটি তার হারিয়ে যাওয়া স্পর্শের স্মারক। নীহারিকার চোখের সামনে ঝাপসা হয়ে আসা শহরের আলো, একপাশে নরম কুয়াশা মাখা সন্ধ্যা। জানালার পাশে বসে সে একমনে বৃষ্টির দিকে তাকিয়ে থাকে। প্রতিটি বৃষ্টির ফোঁটা যেন তার ভেতরের অতীতের স্মৃতিকে ধুয়ে আনছে। আরাফ একসময় বলেছিল, "তুমি যদি কখনো হারিয়ে যাও, আমি বৃষ্টি হয়ে তোমাকে ছুঁয়ে যাব।" কথাটা তখন হাসির খোরাক ছিল, কিন্তু আজ বৃষ্টির প্রতিটি স্পর্শে যেন সেই কথা মিথ্যে প্রমাণিত হচ্ছে না। দ্বিতীয় অধ্যায়: স্মৃতির পথ ধরে নীহারিকা আর আরাফের পরিচয়টা হয়েছিল হুট করে, এক সন্ধ্যায়। কলেজের লাইব্রেরির করিডোরে আরাফ হঠাৎ করেই বলেছিল, "বৃষ্টি পছন্দ করো?" নীহারিকা অবাক হয়েছিল, কারণ তার হাতে তখনো ভিজে থাকা একটা বই ছিল, নাম—"বৃষ্টি বিলাস"। এই ছোট্ট প্রশ্নের মাধ্যমেই দু'জনের জীবনে শুরু হয়েছিল নতুন এক অধ্যায়। আরাফ ছিল একজন মুক্তচিন্তার মানুষ, যে বিশ্বাস করতো ভালোবাসা মানে মুক্তি, বন্ধন নয়। আর নীহারিকা? সে ছিল ভালোবা...

Send Whatsapp Query