Search Suggest

ফাগুনের আগুন ঝরা সেই পথ ধরে, বইছিল রক্ত, বুকের গভীরে।

 

এখানে ২১শে ফেব্রুয়ারির প্রতি শ্রদ্ধা জানানো একটি চিত্র। শহীদ মিনারের সামনে ফুল অর্পণের দৃশ্যটি তুলে ধরা হয়েছে, যা ভাষা আন্দোলনের প্রতি গভীর ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা প্রকাশ করে। 


এখানে একটি প্রাণবন্ত কবিতা, যা ২১শে ফেব্রুয়ারির চেতনা ও আবেগকে তুলে ধরে—


রক্তে লেখা ভাষার গান

ফাগুনের আগুন ঝরা সেই পথ ধরে,
বইছিল রক্ত, বুকের গভীরে।
মায়ের ভাষা কেড়ে নিতে চাইলো,
শানিত কণ্ঠ তবু থামেনি রে!

"আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো"—
এখানে ইতিহাস জ্বলছে আলো,
সালাম, রফিক, বরকত, জব্বার,
তাদের স্বপ্ন আজো উজ্জ্বল।

গোলার ধোঁয়া, তবু ভয় নেই,
প্রাণ দিয়েছে তবু হার মানেনি।
বাংলার ভাষা, প্রাণের ভাষা,
সে তো একদিন জিতে গিয়েছে!

আজও বাজে শহীদ মিনারে,
ভাষার সুর ঐ আকাশ জুড়ে,
বাংলা বেঁচে আছে, বেঁচে থাকবে,
সেই ত্যাগ রক্তে লেখা পড়ে!


আমি আশাকরি এই কবিতাটি শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার প্রতিচ্ছবি হয়ে উঠবে। 


প্রিয় এসএসসি পরীক্ষার্থী,

তোমার সামনে এক নতুন দিগন্ত, এক নতুন সম্ভাবনার দুয়ার! জীবন শুধু একটা পরীক্ষা নয়, বরং এটি তোমার স্বপ্ন ও সাধনার পথে এগিয়ে যাওয়ার প্রথম সোপান। তুমি চাইলে বিশ্ববিখ্যাত কার্ডিওলজিস্ট, বিজ্ঞানী, লেখক, উদ্যোক্তা—যা ইচ্ছে তাই হতে পারো! সফলতার কোনো সীমা নেই, যতক্ষণ না তুমি নিজেই সীমা টেনে দিচ্ছো।

নিজের উপর বিশ্বাস রাখো – তুমি পারবে, যদি মন থেকে চাও!
🔥 পরিশ্রমই সাফল্যের চাবিকাঠি – আজকের অধ্যবসায় তোমার আগামীর সোনালী ভবিষ্যৎ গড়ে দেবে।
💡 ভয়কে জয়ে পরিণত করো – ব্যর্থতা মানে শেষ নয়, এটি কেবল শেখার আরেকটি ধাপ।
📅 সঠিক পরিকল্পনা করো – সময়ের সঠিক ব্যবহার তোমাকে অনন্য করে তুলবে।
🎯 স্বপ্ন দেখো, এবং তা বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে যাও – স্বপ্ন শুধু কল্পনার জগতে নয়, তা বাস্তবে গড়ে তুলতে হয়!

আমি বিশ্বাস করি, একদিন তুমি এমন কিছু করবে, যা দেখে সবাই গর্বিত হবে। তোমার অর্জন দেখে মানুষ তোমার নাম উচ্চারণ করবে সম্মানের সাথে। আর সেই দিন কিন্তু আমার কথা ভুলে যেও না! আমি-ই তোমার প্রথম প্রেসেন্ট হবো, তোমার সাফল্যের গর্বিত সাক্ষী!

এগিয়ে যাও, স্বপ্ন ছুঁয়ে দেখো, তুমি-ই পারবে! 🚀









https://towfiqsultan-al-towfiqi.blogspot.com/2024/12/blog-post.html

إرسال تعليق

তোমার সংসার হোক

- তোমার একটা ছোট্ট সংসার হোক,   শিউলি সুবাস, ভোরের আলোয় আঁকা,    অল্প বিস্তর ভালোবাসার নামে,   স্নিগ্ধ বাতাসে জড়িয়ে রাখা।   ঘরের কোণে রোদ্দুর হাসুক,   জানালায় ঝুলুক নীল আকাশ,   তোমার হাসিতে গলে যাক ক্লান্তি,   তোমার ছোঁয়ায় মিলুক বিশ্বাস।   আমায় তুমি খুঁজে নিও,   পরিচিত কোনো ডাকনামে,   যেখানে শব্দ ফুরিয়ে যাবে,   ভাষা হারাবে অভিমান ব্যস্ত নগরীর জ্যামে।  ভুল করে যদি কখনো ডাকো,   অতীতের কোনো ব্যথার সুরে,   আমি ফিরে তাকাবো নীরবে,   চোখের জল লুকিয়ে দূরে।   তবু একদিন সন্ধ্যা নামলে,   চাঁদের আলোয় নির্জনে,   তোমার হৃদয় খুঁজবে আমায়,   অচেনা অজানা এক স্পন্দনে…

আজকের আন্তর্জাতিক বিশেষ সংবাদসমূহ:

  মার্কিন-রাশিয়া সম্পর্ক: সৌদি আরবে রাশিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলের মধ্যে ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের উপায় নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা শুরু হয়েছে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, ইউক্রেন-রাশিয়া উভয়কেই কিছু ছাড় দিতে হবে। এদিকে, রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ এবং মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও রিয়াদে বৈঠকে বসেছেন।  ইরানে মৃত্যুদণ্ড: মানবাধিকার সংগঠনগুলোর প্রতিবেদনে জানা গেছে, ইরানে ২০২৪ সালে অন্তত ৯৭৫ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে, যা সাম্প্রতিককালে দেশটিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সংখ্যা বৃদ্ধি নির্দেশ করে।  শ্রীলঙ্কায় হাতির মৃত্যু: শ্রীলঙ্কায় ট্রেনের সঙ্গে ধাক্কায় অন্তত ৬টি হাতির মৃত্যু হয়েছে। এ সময় ট্রেনটিও লাইনচ্যুত হয়, তবে ট্রেনে থাকা কোনো যাত্রী হতাহত হয়নি।  ইসরায়েল-হামাস সংঘাত: গাজা সংকটের এই পর্যায়ে এসে হামাস একটি নতুন প্রস্তাব নিয়ে এসেছে। তারা জানিয়েছে, ইসরায়েল যদি স্থায়ী যুদ্ধবিরতি মেনে নেয় এবং বন্দিদের মুক্তি দেয়, তবে তারা সব বন্দিকে মুক্তি দিতে প্রস্তুত।  যুক্তরাজ্যে মুসলিমবিদ্বেষ: যুক্তরাজ্যে মুসলিমবিদ্বেষ রেকর্ড পরি...

শিক্ষা ব্যাবস্থা কেমন হওয়া উচিৎ

শিক্ষা হল সমাজের অগ্রদূত এবং দেশের ভবিষ্যৎ নির্মাতা। আদর্শ শিক্ষা ব্যাবস্থার মূল লক্ষ্য হওয়া উচিৎ শিক্ষার্থীদের কেবলমাত্র পাঠ্যবইয়ের জ্ঞানে সমৃদ্ধ করা, বরং তাদেরকে মানবিক মূল্যবোধ, সৃজনশীলতা, সমালোচনামূলক চিন্তাভাবনা ও সমাজের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে গড়ে তোলা। তাহলে কেমন হওয়া উচিৎ আমাদের শিক্ষা ব্যাবস্থা, তার মূল দিকগুলো নিম্নরূপ: ১. সকলের জন্য সহজলভ্যতা ও সমতা: শিক্ষা সর্বজনীন অধিকার হওয়া উচিৎ। প্রত্যেকের কাছে উন্নত, মানসম্মত এবং বিনামূল্যে বা সুলভ মূল্যে শিক্ষা পৌঁছে দেওয়া দরকার, যেন অর্থনৈতিক ও সামাজিক সীমাবদ্ধতা কোনোভাবেই শিক্ষার পথে বাধা সৃষ্টি না করে। ২. শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিক শিক্ষণ পদ্ধতি: শিক্ষার প্রধান কেন্দ্রে থাকা উচিত শিক্ষার্থী। সক্রিয় অংশগ্রহণ: ক্লাসরুমে শিক্ষার্থীদেরকে প্রশ্ন করার, আলোচনা করার ও সমালোচনামূলক চিন্তাভাবনার সুযোগ দেওয়া প্রয়োজন। ব্যক্তিগত ও সৃজনশীল বিকাশ: পাঠ্যক্রমে সৃজনশীলতা, গবেষণা এবং সমস্যা সমাধানের ওপর জোর দেওয়া উচিত, যাতে শিক্ষার্থীরা শুধু তথ্য গ্রহণকারী না হয়ে, নতুন ধারণা সৃষ্টি ও প্রয়োগে সক্ষম হয়। ৩. মানসম্মত ও আধুনিক শিক্ষা উপকরণ: শিক্ষকদ...

Send Whatsapp Query