Search Suggest

দেশের অধিকাংশ জায়গায় ফুটওভার ব্রিজ জরুরি

দেশের অধিকাংশ জায়গায় ফুটওভার ব্রিজ জরুরি

বাংলাদেশের শহরগুলোতে জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং যানবাহনের চাপের কারণে রাস্তা পারাপার ক্রমেই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে। প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ ব্যস্ত সড়কে জীবন ঝুঁকিতে ফেলে রাস্তা পার হন, যা দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ। এই সমস্যা সমাধানের অন্যতম কার্যকর উপায় হলো পর্যাপ্ত সংখ্যক ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণ করা।



প্রয়োজনীয়তার কারণ

১. দুর্ঘটনা হ্রাস:
অনেক মানুষ ট্রাফিক আইন না মেনে সরাসরি রাস্তা পার হতে গিয়ে সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হন। বিশেষ করে, শিশু, বৃদ্ধ ও শারীরিকভাবে অক্ষম ব্যক্তিদের জন্য ফুটওভার ব্রিজ নিরাপদ চলাচলের সুযোগ করে দেয়।

২. যানজট কমানো:
পথচারীরা যদি ফুটওভার ব্রিজ ব্যবহার করেন, তাহলে রাস্তা কম ব্লক হবে, যা যানজট কমাতে সাহায্য করবে।

৩. সুশৃঙ্খল নগর জীবন:
পরিকল্পিত ফুটওভার ব্রিজ শহরের অবকাঠামোগত সৌন্দর্য বাড়ায় এবং জনগণের মধ্যে শৃঙ্খলা আনতে সহায়ক হয়।

বর্তমান পরিস্থিতি ও সমস্যা

বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকাসহ বড় শহরগুলোতে কিছু ফুটওভার ব্রিজ থাকলেও, অনেক গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সেগুলোর অভাব রয়েছে। আবার যেখানে এগুলো আছে, অনেক ক্ষেত্রে এগুলো ব্যবহার না করে পথচারীরা রাস্তা পারাপার করেন। এর প্রধান কারণ:

  • ফুটওভার ব্রিজের অপর্যাপ্ততা
  • ব্রিজ ব্যবহারে উদাসীনতা
  • অপর্যাপ্ত রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অভাব
  • অন্ধকার ও অপরাধীদের আতঙ্ক

সমাধান ও সুপারিশ

  • বেশি সংখ্যক ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণ করা।
  • এসব ব্রিজে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা রাখা, যেন রাতে নিরাপদ থাকে।
  • ব্রিজে চলাচল সহজ করতে র‍্যাম্প স্থাপন করা, যাতে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিরাও ব্যবহার করতে পারেন।
  • মানুষকে ফুটওভার ব্রিজ ব্যবহারে উৎসাহিত করা এবং আইন প্রয়োগ করা।

 

সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং দুর্ঘটনা কমাতে দেশের অধিকাংশ গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণ করা অত্যন্ত জরুরি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যদি এ বিষয়ে যথাযথ উদ্যোগ নেয়, তাহলে পথচারীদের জীবন নিরাপদ হবে এবং নগর ব্যবস্থাপনাও উন্নত হবে।

https://towfiqsultan-al-towfiqi.blogspot.com/2024/12/blog-post.html

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

তোমার সংসার হোক

- তোমার একটা ছোট্ট সংসার হোক,   শিউলি সুবাস, ভোরের আলোয় আঁকা,    অল্প বিস্তর ভালোবাসার নামে,   স্নিগ্ধ বাতাসে জড়িয়ে রাখা।   ঘরের কোণে রোদ্দুর হাসুক,   জানালায় ঝুলুক নীল আকাশ,   তোমার হাসিতে গলে যাক ক্লান্তি,   তোমার ছোঁয়ায় মিলুক বিশ্বাস।   আমায় তুমি খুঁজে নিও,   পরিচিত কোনো ডাকনামে,   যেখানে শব্দ ফুরিয়ে যাবে,   ভাষা হারাবে অভিমান ব্যস্ত নগরীর জ্যামে।  ভুল করে যদি কখনো ডাকো,   অতীতের কোনো ব্যথার সুরে,   আমি ফিরে তাকাবো নীরবে,   চোখের জল লুকিয়ে দূরে।   তবু একদিন সন্ধ্যা নামলে,   চাঁদের আলোয় নির্জনে,   তোমার হৃদয় খুঁজবে আমায়,   অচেনা অজানা এক স্পন্দনে…

আজকের আন্তর্জাতিক বিশেষ সংবাদসমূহ:

  মার্কিন-রাশিয়া সম্পর্ক: সৌদি আরবে রাশিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলের মধ্যে ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের উপায় নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা শুরু হয়েছে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, ইউক্রেন-রাশিয়া উভয়কেই কিছু ছাড় দিতে হবে। এদিকে, রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ এবং মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও রিয়াদে বৈঠকে বসেছেন।  ইরানে মৃত্যুদণ্ড: মানবাধিকার সংগঠনগুলোর প্রতিবেদনে জানা গেছে, ইরানে ২০২৪ সালে অন্তত ৯৭৫ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে, যা সাম্প্রতিককালে দেশটিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সংখ্যা বৃদ্ধি নির্দেশ করে।  শ্রীলঙ্কায় হাতির মৃত্যু: শ্রীলঙ্কায় ট্রেনের সঙ্গে ধাক্কায় অন্তত ৬টি হাতির মৃত্যু হয়েছে। এ সময় ট্রেনটিও লাইনচ্যুত হয়, তবে ট্রেনে থাকা কোনো যাত্রী হতাহত হয়নি।  ইসরায়েল-হামাস সংঘাত: গাজা সংকটের এই পর্যায়ে এসে হামাস একটি নতুন প্রস্তাব নিয়ে এসেছে। তারা জানিয়েছে, ইসরায়েল যদি স্থায়ী যুদ্ধবিরতি মেনে নেয় এবং বন্দিদের মুক্তি দেয়, তবে তারা সব বন্দিকে মুক্তি দিতে প্রস্তুত।  যুক্তরাজ্যে মুসলিমবিদ্বেষ: যুক্তরাজ্যে মুসলিমবিদ্বেষ রেকর্ড পরি...

শিক্ষা ব্যাবস্থা কেমন হওয়া উচিৎ

শিক্ষা হল সমাজের অগ্রদূত এবং দেশের ভবিষ্যৎ নির্মাতা। আদর্শ শিক্ষা ব্যাবস্থার মূল লক্ষ্য হওয়া উচিৎ শিক্ষার্থীদের কেবলমাত্র পাঠ্যবইয়ের জ্ঞানে সমৃদ্ধ করা, বরং তাদেরকে মানবিক মূল্যবোধ, সৃজনশীলতা, সমালোচনামূলক চিন্তাভাবনা ও সমাজের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে গড়ে তোলা। তাহলে কেমন হওয়া উচিৎ আমাদের শিক্ষা ব্যাবস্থা, তার মূল দিকগুলো নিম্নরূপ: ১. সকলের জন্য সহজলভ্যতা ও সমতা: শিক্ষা সর্বজনীন অধিকার হওয়া উচিৎ। প্রত্যেকের কাছে উন্নত, মানসম্মত এবং বিনামূল্যে বা সুলভ মূল্যে শিক্ষা পৌঁছে দেওয়া দরকার, যেন অর্থনৈতিক ও সামাজিক সীমাবদ্ধতা কোনোভাবেই শিক্ষার পথে বাধা সৃষ্টি না করে। ২. শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিক শিক্ষণ পদ্ধতি: শিক্ষার প্রধান কেন্দ্রে থাকা উচিত শিক্ষার্থী। সক্রিয় অংশগ্রহণ: ক্লাসরুমে শিক্ষার্থীদেরকে প্রশ্ন করার, আলোচনা করার ও সমালোচনামূলক চিন্তাভাবনার সুযোগ দেওয়া প্রয়োজন। ব্যক্তিগত ও সৃজনশীল বিকাশ: পাঠ্যক্রমে সৃজনশীলতা, গবেষণা এবং সমস্যা সমাধানের ওপর জোর দেওয়া উচিত, যাতে শিক্ষার্থীরা শুধু তথ্য গ্রহণকারী না হয়ে, নতুন ধারণা সৃষ্টি ও প্রয়োগে সক্ষম হয়। ৩. মানসম্মত ও আধুনিক শিক্ষা উপকরণ: শিক্ষকদ...

Send Whatsapp Query